খুটাখালীতে জমে উঠেছে পশুর হাট, দুঃচিন্তায় খামারীরা!

 

সেলিম উদ্দীন,ঈদগাঁহ

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে জমে উঠেছে কোরবানী পশুর হাট।

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে খুটাখালী পশুর হাটে বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসছে গরু।

ব্যবসায়ীরা এসব গরু পশু হাটে ও খালি জায়গায় তাবু টেনে অস্থায়ী ঘর তৈরি করে বেচাকেনা করছেন।

২৬ জুলাই রবিবার দুপুরে মহাসড়কের খুটাখালী ব্রীজের পাশে অস্থায়ী বাজার পরিদর্শন কালে দেখা যায় বাজারে প্রচুর গরু-মহিষ উঠেছে।

তবে ক্রেতা- বিক্রেতার দর কষাকষিতে বিক্রি হচ্ছে কম সংখ্যক গরু।

এ বাজারে বিক্রেতারা এনেছে দুই আড়াই লাখ টাকা দামের গরুও।
ছোট ও মাঝারী সাইজের গরু এসেছে প্রচুর।
তবে রবিবার বাজারে ২০/২৫ টি গরু বিক্রি হয়েছে বলে জানান ইজারাদাররা।

অপরদিকে পশুর হাটে করোনা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য বিধি নিয়ে ইজারাদারদের ছিল তীক্ষ্ণ নজরদারী।

সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি রক্ষায় পশুর হাটে সচেতনতা মূলক মাইকিং করা হয়েছে।

এসময় ইজারাদারের লোকজন বাজার ঘুরে ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার দিকনির্দেশনা দেন।

ইজারাদারদের পক্ষে ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড মেম্বার আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন,
খুটাখালী পশুর হাটে স্বাস্থ্যববিধি মেনে গরু ক্রয়-বিক্রয় হবে।
আমারা মাঠে আছি মানুষের সুরক্ষার দায়িত্ব নিয়ে।কোরবানির পরে গরুর বর্জ্য নিজ নিজ দায়িত্বে মাটির নিচে পুতে ফেলা হবে।

এদিকে চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে কোরবানির গরু বিক্রি নিয়ে এবার চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্থানীয় গরু খামারিরা।
লোকসান পুষিয়ে নিতে সরকারের নিকট তারা প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, করোনা পরিস্থিতিতে উপজেলার খুটাখালী কোরবানির পশুর হাট সীমিত আকারে আনা হয়েছে।
করোনায় স্বাস্থ্য ঝুঁকির বিষয়টি বিবেচনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

একদিকে, কোরবানির পশুর হাটে করোনা ঝুঁকি এবং স্বল্প সময়ের কারণে কোরবানির হাটের ওপর ভরসা করতে পারছেন না খামারিরা।

তাই ধার-দেনায় বড় করা গরুগুলোকে সামান্য লাভে কিংবা কিছুটা লোকসানে হলেও বিক্রির চেষ্টা করছেন তারা।
হাটের একাধিক খামারির সাথে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

রবিবার দুপুরে খুটাখালী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে হাটে অনেক গরু-মহিষ রয়েছে।
কিন্তু তেমন বিক্রি নেই বললেই চলে। কথা বলে জানা গেছে গরু ব্যবসায়িদের কষ্টের কথা।

খামারিরা জানায়, প্রতি বছর ১৫/২০দিন আগে থেকে পছন্দের গরু কিনে রাখলেও এবার তেমন ক্রেতা মিলছে না।
বিষয়টি নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় আছি।

অধিকাংশ খামারি চলমান ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকারের নিকট প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে জনস্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় নিয়ে খুটাখালী পরিষদের উদ্দোগে পশু সম্পর্কিত সকল ডাটা সংরক্ষণ করা হচ্ছে। জনসাধারণকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।