কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৭৩ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ

বঙ্গবন্ধু  শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠনবাংলাদেশ ছাত্রলীগ নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ৭৩বছর পূর্ণ করছে সোমবার। দেশভাগের পর ১৯৪৮সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুলহক মুসলিম হল থেকে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়।প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ে এর নাম ছিল ‘পূর্ব পাকিস্তানমুসলিম ছাত্রলীগ’।
পাকিস্তান আমলেই ‘মুসলিম’ শব্দটি ছেঁটে ফেলাহয়। স্বাধীনতার পর নাম হয় ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।গত সাত দশকে সংগঠনটি পেরিয়েছে ১৯৫২ সালেরভাষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয় দফা, ১৯৬৯ এরগণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ আর নব্বইয়ের দশকের স্বৈরাচারবিরোধীআন্দোলনের ঝঞ্ঝামুখর সময়। ছাত্রলীগেরপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার বিভিন্নইউনিটে দেয়ালিকা ও গ্রাফিতি অঙ্কন করা হয়েছে।
প্রতি বছর বর্ণাঢ্য আয়োজনে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীরআয়োজন করা হলেও এবার করোনাভাইরাসমহামারীর কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে উদ‌যাপন সম্পন্নহয়েছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় দলের কেন্দ্রীয়কার্যালয়ে এবং দেশব্যাপী সংগঠনের দলীয়কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করাহয়েছে। সকাল ৮টায় লাল দিঘির পাড়স্থ দলীয়কার্য্যালয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুররহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে কক্সবাজারজেলা ছাত্রলীগ।
বিকেলে  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথিহিসেবে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্তহয়ে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। যাকক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগ সরাসরি দলীয়কার্যালয়ে প্রদর্শন করে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষেছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলীয়কার্যালয়ে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে  কেক কাটা হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন জয় বাংলা বাহিনির প্রধানমুক্তিযোদ্ধা কামাল চৌধুরি কক্সবাজার জেলাআওয়ামীলীগ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ফরিদুলইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান,জেলাযুবলীগের সভাপতি সোহেল আহম্মেদ বাহাদুর,জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ওসাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান সহ দলেরনেতারা।
ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম বলেন,
“বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশছাত্রলীগ সংগ্রাম, সাফল্য ও ঐতিহ্যের ৭৩ বছর পূর্ণকরেছে। ঐতিহাসিক শ্রেষ্ঠত্ব এখনও পর্যন্তছাত্রলীগের হাতেই আছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমরাপ্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখারচেষ্টা করে যাব।
সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান বলেন,
“মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে শিক্ষা-শান্তি প্রগতির মূল মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে জাতির পিতারস্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথে আরওএক ধাপ এগিয়ে যাবে। ছাত্রলীগের অভিভাবকবঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সকল নির্দেশনা যাতেআমরা বাস্তবায়ন করতে পারি, সেটি হবে আমাদেরশপথ।
এছাড়া ৬ জানুয়ারি সকাল ১১টায় দুঃস্থদের মধ্যেশীতবস্ত্র বিতরণ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করাহবে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে। ৮ জানুয়ারি স্বেচ্ছায়রক্তদান কর্মসূচি এছাড়াও পুরো মাসব্যাপী নানানকর্মসূচি পালন করবে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি।