পাঁচ ইউনিয়ন নিয়ে ঈদগাঁও থানা আওয়ামীলীগ কমিটি স্বীকৃতির দাবী

এম আবুহেনা সাগর,ঈদগাঁও
সদরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হচ্ছে বৃহত্তর ঈদগাঁও। পোকখালী,ইসলামাবাদ,ইসলামপুর,জালালাবাদ ও আলোচিত ঈদগাঁও ইউনিয়নকে নিয়ে গঠিত। দীর্ঘবছর পর হলেও ঈদগাঁওকে থানা হিসেবে অনুমোদন প্রদান করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ঈদগাঁও এলাকাটি সবচেয়ে গুরুত্ববহন করে থাকে। বিরোধীদল বিএনপিসহ সহযোগী সংগঠন দীর্ঘকাল ধরে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা হিসেবে কর্মসুচী চালিয়ে যাচ্ছেন।
দেখা যায়,ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ ছাড়া কোন সংগঠনই সাংগঠনিক ভাবে ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলার স্বীকৃতি এখনো পায়নি। এতে প্রত্যান্ত গ্রামগঞ্জের মেধাবী পরীক্ষিত ও রাজপথে লড়াই করে যাওয়া নেতাকর্মীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। কারন দশ ইউনিয়নে অন্তভুক্ত সদর উপজেলা। বৃহৎ এলাকায় রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সে হিসেবে পাঁচ ইউনিয়নকে যদি আলাদা করে ঈদগাঁও থানা আওয়ামীলীগের কমিটির স্বীকৃতি প্রদান করা হয়,তাহলে নেতাকর্মীদের  রাজনৈতিক চর্চা করতে সহজতর হবে এমনই অভিমত মাঠের কর্মীদের। রাজনীতি চর্চার ক্ষেত্রে আওয়ামীলীগকে যদি ঈদগাঁও থানা কমিটি স্বীকৃতি দেয়,তাহলে যে কোন আন্দোলন সংগ্রামে নেতাকর্মীরা চাঙ্গা থাকবে আর রাজপথ শক্তিশালী হবে। সেই দাবী বাস্তবায়নে কেন্দ্র ও জেলা নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি কামনা করেছেন বৃহত্তর ঈদগাঁওর তৃনমুল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন ছোটন রাজা জানান,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া দক্ষিন এশিয়ার বৃহৎ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগকে যদি আলাদা ঈদগাঁও থানা কমিটির স্বীকৃতি প্রদান করে,তাহলে নেতাকর্মীদের মাঝে চাঙ্গাভাবের পাশাপাশি দলে গতিশীলতা আরো বৃদ্বি পাবে।
ঈদগাঁও যুবলীগের সাধারন সম্পাদক রাশেল উদ্দিন রাশেদ ও পোকখালী যুবলীগ আহবায়ক আমজাদ জানিয়েছেন,যদি আলাদা ভাবে থানা আ,লীগের কমিটি হয়, ভাল হবে। রাজনৈতিক চর্চার পাশাপাশি রাজপথ চাঙ্গা হবে।
ঈদগাঁও সাংগঠনিক উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সাধারন সম্পাদক আবুহেনা বিশাদ জানান, আ,লীগকে যদি ঈদগাঁও থানা কমিটি হিসেবে রুপান্তর করে,তবে তারুন্যে নির্ভর নেতৃত্ব সৃষ্টি হবে ও দলীয় নেতাকর্মীদের খোজঁ খবর রাখা সহ নানান ক্ষেত্রে সংগঠন শক্ত অবস্থান ধারন করবে।
ঈদগাঁও ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি মাহবুবুল আলম মাবু জানান,আলাদা যদি ঈদগাঁও থানা আ,লীগের কমিটি হয়, তাহলে নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন হবে,দুরত্ব কমে যাবে। দল সু-সংগঠিত হবে।
বৃহত্তর এলাকার তৃনমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতে,আলাদা ভাবে যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী থানা অনুমোদন দিয়েছেন,সেহেতু থানা আ,লীগ কমিটি করার প্রতি জোর দাবী জেলা আ,লীগের নেতৃবৃন্দের নিকট। দলীয় কর্মীদের সু-সম্পর্ক তৈরী হবে পাশাপাশি সাংগঠনিক ভাবে একধাপ এগিয়ে যাবে বৃহৎ সংগঠন আ,লীগের কর্মকান্ড।
এ ব্যাপারে সদর উপজেলা আ,লীগ সভাপতি আবু তালেবের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করার পরেও সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।