মুক্তিযোদ্ধারা মরণপন লড়াই করে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছে : এডভোকেট জহিরুল ইসলাম

সফিউল আলম : বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ও সাবেক গভর্ণর এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান’র ডাকে ৭১’র রণাঙ্গানে বীর মুক্তিযোদ্ধারা এবং বাংলার আপামর জনতা জীবনকে বাজি রেখে হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মরণপন লড়াই করে দেশকে শত্রুমুক্ত করেছেন। জাতীয় চার নেতা, ত্রিশ লাখ শহীদ ও আড়াই লাখ মা বোনের আত্ম ত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই স্বাধিনতা অর্জিত হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছর পর মুক্তিযোদ্ধারা মেধায় মননে এবং সম্পদের সৃজনে প্রতিনিয়ত অগ্রসর হচ্ছে। সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় কক্সবাজারে মেডিকেল কলেজ হয়েছে, রেল লাইন, কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র,কক্সবাজার বিমান বন্দরকে আন্তর্জাতীক বিমান বন্দরে রপান্তর,দেশের সবচেয়ে বড় আশ্রয়ণ প্রকল্প সহ প্রধান মন্ত্রীর ১০ টি অগ্রাধিকার প্রকল্পের কাজ চলছে যাহা কক্সবাজারকে উন্নয়নের চাদরে ঢেকে দিবে। এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানেরা পড়ালেখা ও চাকরী করার সুযোগ পাবে। তা একমাত্র সম্ভব হয়েছে একমাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার ক্ষমতায় আছে বলে।

 

তিনি রবিবার (১ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় কক্সবাজার জেলা পুলিশ আয়োজিত পুলিশ লাইনস এ বিজয়ের মাসের প্রথম দিনে বাঙালী জাতির শ্রেষ্ট সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্টানে প্রধান অথিতির বক্তেব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য ও সাবেক গভর্ণর এ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
তিনি জেলা পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, জেলার বীব মুক্তিযোদ্ধারা কৃতজ্ঞাতার সাথে আজীবন স্বরণ করবেন। যারা জীবিত আছেন পুলিশ প্রশাসনের এই উদ্যোগের ফলে এক সামিয়ানার নিচে মিলিত হওয়ার বীরল সুযোগ পেয়েছেন। স্বাধিনতা লাভের দীর্ঘ দিন পর এই সুযোগ এই জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের কে দেখার ও জানার বীরল সুযোগ করে দিয়েছে। আমি আবারো জেলা পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই। জীবনযুদ্ধে ক্লান্ত পরিশ্রান্ত মুক্তিযোদ্ধা ভাই বোনেরা আজকের এই অনুষ্টান থেকে বেঁচে থাকার নতুন প্রেবণা পাবেন। এই অনুষ্টান আমাদেরকে নতুন করে বাঁচার প্রেরণা যোগাবে এবং প্রিয় স্বাধীনতাকে মাটি ও মানুষের জন্য অর্থবহ ও গৌরবময় করে তুলবে।
জেলা পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন বিপিএম এর সভাপতিত্বে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজওয়ান এর পরিচালনায় অনুষ্টানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ইকবাল হোসেন। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, সাবেক সাংসদ ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার সংরক্ষিত আসনের সাংসদ কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, মুক্তিযুুদ্ধের সংগঠক কামাল হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আবছার, মুক্তিযোদ্ধা শাহাজান, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী।

 

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের, জেলা কমিউনিটি পুলিশের সভাপতি তোফায়েল আহমদ, দৈনিক প্রথম আলো’র কক্সবাজার অফিস প্রধান আবদুল কুদ্দুস রানা, কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি জাহেদ সরওয়ার সোহেল সহ পুলিশ কর্মকর্তা ও জেলার বীর মুক্তিযোদ্ধারা উপস্থিত ছিলেন।