[post_category_links]

বাংলাদেশি তরুণীকে গণধর্ষণের ঘটনায় ভারতে দুই নারীসহ গ্রেপ্তার ৬

[post_sub_title]
[post_reporter_with_date]

অনলাইন ডেস্কঃ

মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে ভারতে গিয়েছিলেন বাংলাদেশি এক তরুণী। আর সেখানে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন। শুধু তাই নয়, সেই দৃশ্য ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়েও দেওয়া হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সেই ভিডিও দেখে নিজের মেয়েকে শনাক্ত করে রাজধানীর হাতিরঝিল থানায় মানবপাচারের মামলা করেছেন নির্যাতিতার বাবা।

এদিকে বেঙ্গালুরু পুলিশও অপরাধীদেরও ধরতে আদা-জল খেয়ে নামে। ভিডিও ক্লিপ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে এরই মধ্যে ছয় ভারতীয়কে গ্রেপ্তার করেছে। এর মধ্যে দুই নারীও রয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ২২ বছর বয়সী ওই তরুণীকে নির্যাতন করছিল অভিযুক্তরা। এমনকী নির্যাতিতার গোপনাঙ্গে বোতল ঢোকাতেও দেখা যায়। পরে তাকে গণধর্ষণ করা হয়।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনা বেঙ্গালুরে ঘটেছিল প্রায় ছয়দিন আগে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ মে) এনডিটিভির খবরে বলা হয়, বেঙ্গালুরু পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, ভিডিও ক্লিপ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পুলিশ আরও জানায়, ওই তরুণী এখন অন্য রাজ্যে আছেন। মানবপাচার চক্রের খপ্পরে পড়ে বাংলাদেশি এই তরুণী ভারতে এসেছিলেন। তাকে নিয়ে আসার জন্য একটি দল পাঠানো হয়েছে। তার বক্তব্য রেকর্ড করা হবে।

এদিকে ওই ঘটনায় জড়িতদের একজনের পরিচয় আগেই শনাক্ত করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। সে ঢাকার মগবাজারের বাসিন্দা হৃদয় বাবু। এলাকায় অবশ্য টিকটক হৃদয় বাবু নামেই পরিচিত।

নির্যাতিতার পরিবার জানায়, দুই বছর ধরে তাদের মেয়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। কোনো পাচারকারী চক্রের মাধ্যমে দুই বছর আগেই দুবাই থেকে মেয়েটি ভারতে গিয়েছে বলে ধারণা পরিবারের

[category_title title="সর্বশেষ" slug="সর্বশেষ"]

[category_title title="এই সপ্তাহের পাঠকপ্রিয়" slug="#"]