রামুতে পর্যাপ্ত গবাদিপশুর মজুদ, শেষ মুহূর্তে কমতে পারে কুরবানি গরুর দাম

 

হাসান তারেক মুকিম:
আসন্ন ঈদ-উল-আজহাকে(কুরবানি) সামনে রেখে রামু উপজেলার প্রায় পশুর বাজারে পর্যাপ্ত গবাদিপশুর মজুদ রয়েছে। যার কারনে শেষ মুহূর্তে কমতে পারে গরু-মহিষের দাম।

সরজমিনে চাকমারকুল সহ বেশ কয়েকটি পশুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে হাট ভর্তি গরু। চলছে ক্রেতা-বিক্রেতার দর কষাকষি। আর শেষ মুহূর্তের ঝুঁকি না নিয়ে অল্প লাভেই গরু বিক্রি করে দিচ্ছেন বেপারিরা। এদিকে ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ক্রেতাগন গরু কিনতে পেরে অনেকটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছে।
বাজারে জমজমাট লোকসমাগম হলেও পশুর বেপারী ও বিক্রেতাদের অভিযোগ গত কয়েক দিনের তুলনায় গরুর বাজারে দাম অনেকটা পড়ে গেছে। গত সোমবার থেকে গরুর দাম নিম্নমুখী বলে জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই।
রামুর রাজারকুল থেকে গরু নিয়ে আসা বেপারি আরিফ জানান, গরুর দাম নেই বললেই চলে। গত বাজারে যে গরুর দাম এক লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বলেছে; আজকে ওই গরু লাখের কমে বিক্রি করতে হচ্ছে।
এদিকে পশু কিনতে আসা মোঃ ইলিয়াছ নামের এক ক্রেতা জানান, কোরবানির পশু ক্রয়ের উদ্দেশ্যে রামুর একাধিক বাজার ঘুরে দেখেছেন, প্রায় সব বাজারেই পর্যাপ্ত গরুর মজুদ চোখে পড়েছে। যার কারনে ক্রেতাসাধারন সহনীয় দামে পশু ক্রয় করতে সমর্থ হচ্ছেন বলে জানান।

উপজেলার পশুর হাটের ইজারাদারদের মধ্যে জাবেদ ইকবাল জানান, পছন্দের কোরবানির পশু কিনতে ক্রেতাদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। বাজারে পর্যাপ্ত পশু মজুদ রয়েছে বিধায় দাম অনেকটা সহনীয় পর্যায়ে। যার ফলে পছন্দের পশুটি কিনে বাড়ি ফিরছেন অনেক ক্রেতা।
তিনি আরো জানান, পশুর হাটে নিরাপত্তার জন্য প্রশাসনের পাশাপাশি নিজস্ব মোবাইল টিম কাজ করছে। জাল নোট ঠেকানোর জন্য পুলিশের নজরধারী রয়েছে। এ ছাড়া ব্যাপারীদের পশু আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রেও বাড়তি নজরধারী রয়েছে।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •