বার্তা পরিবেশক:
রামুর জোয়ারিয়ানালার উত্তর মিঠাছড়ি পাহাড়ি এলাকায় বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে ছোট বড় ৩০টির অধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাবুল বড়ুয়ার বিরুদ্ধে। বর্তমানে পাহাড় থেকে মাটি কাটার তৎপরতায় রয়েছে বলে অভিযোগ করে জানান একই এলাকার সন্তোষ বড়ুয়া ও সাক্ষ্য বড়ুয়া।
এদিকে সরকারী পাহাড়ের গাছ কেটে বনায়ন ধ্বংস করে বাড়ি নির্মানের পায়তারা চালানোর ঘটনায় পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা ও ভূমিধসের ঝুঁকিও দেখছে স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী সন্তোষ বড়ুয়া ও সাক্ষ্য বড়ুয়া জানান, উত্তর মিঠাছড়ি হেল্প সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিন পার্শ্বে পাহাড়ী ভূমিতে তাদের বসত বাড়ি। স্থানীয় দীনেশ বড়ুয়ার পুত্র বাবুল বড়ুয়া তাদের বসত ভিটার পার্শ্ববর্তী সরকারী পাহাড়ি জায়গার দখলদার। উক্ত ভূমিতে বাড়ি নির্মাণের উদ্দেশ্যে চলমান মাসের শুরুতে বাবুলের নেতৃত্বে ৩০টির অধিক গাছ কেটে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে উক্ত ঢালু শ্রেনীর পাহাড়ি ভূমিকে সমতল ভূমিতে রূপান্তর করে সেখানে বাড়ি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এমতাবস্থায় পাহাড় কাটা হলে উপরে বসবাসরত মানুষজনের বাড়ি ঘর চরম অনিরাপদ ও ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
সন্তোষ বড়ুয়া আরো জানান, তিনি গাজীপুর ক্যান্টনমেন্টে সমরস্ত্র কারখানা(বিওএফ) এ সিনিয়র টেকনিশিয়ান হিসেবে কর্মরত। চাকরি সুবাদে অধিকাংশ সময় এলাকার বাইরে অবস্থান করতে হয়। এমন একটি প্রেক্ষাপটে পার্শ্ববর্তী দখলদার বাবুল বড়ুয়া কর্তৃক পাহাড় কাটার অপতৎপরতায় তিনি ভীত সন্ত্রস্ত। এ স্থানে পাহাড় কাটা হলে ভারি বৃষ্টিপাতে ভূমিধস হয়ে উপরের বসবাসরত তাদের বাড়ি ঘর ভেঙ্গে গিয়ে বড় ধরনের প্রাণহানির আশংকা করছেন। সম্ভাব্য ঝুঁকি থেকে পরিত্রাণে যথাযথ তদারকির মাধ্যমে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এব্যাপারে অভিযুক্ত বাবুল বড়ুয়ার মোবাইল নাম্বার বন্ধ থানায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
