বার্তা পরিবেশক:
“রামু সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের সাথে ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ বিএনপি নেতার, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ” শিরোনামে দৈনিক কক্সবাজার সহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। সংবাদটি মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমি উক্ত সংবাদের জোর প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
মুল বিষয় হচ্ছে আমার পিতা মোহাম্মদ আলম ১৯৮০ সালে ফতেখাঁরকুল মৌজার বিএস ৭৭ খতিয়ানের ১৯৭৩ দাগের ২০ শতক জমি খরিদ করেন। যার দলিল নং ৫৫৪ মুলে খতিয়ান সৃজন করে সেই থেকে অদ্যবধি ভোগ দখলে আছি।পক্ষান্তরে ক্রয় সুত্রে একই খতিয়ানের ১৯৭৪ দাগের জমি মালিকানা রামু কলেজ। উক্ত দাগের জমি রামু কলেজ ভোগ দখলে থাকলেও আমাদের মালিকানাধীন ১৯৭৩ দাগের ২০ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে তারা জোরপূর্বক কলেজ ভাউন্ডারিতে ঢুকিয়ে দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছেন।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে সাবেক সাংসদ, উপজেলা প্রশাসন ও তৎকালীন অধ্যক্ষ যোগসাজশ করে অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে আমাদের সৃজিত খতিয়ান কর্তন করে ফেলেন। যা সম্পূর্ন আইনবহির্ভূত। তা নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছে।
বিষয়টি নিয়ে পরবর্তীতে আমরা জেলা প্রশাসক,রামু উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রামু থানায় অভিযোগ করলেও অভিযোগের কোন সদুত্তর না দিয়ে আমাদের প্রাপ্য জমিতে সম্প্রতি সিমানা প্রাচীর নির্মানের কার্যক্রম শুরু করে রামু কলেজ কর্তৃপক্ষ। মুলত তাদের প্রাপ্য জমির ট্রেস মাঠ এবং কলেজ ভবনের ভতরে। তারা তাদের প্রাপ্য দাগের জমিতে স্থাপনা না করে অবৈধভাবে নালিশীজমিতে স্থাপনা চালিয়ে যাচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিকেলে আমার স্বত্বীয় জমিতে কলেজ কর্তৃক সিমানা প্রাচীর নির্মানের ব্যাপারে জানতে চাইলে কলেজের নবাগত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাছানুল ইসলাম উল্টো আমাকে হুমকী-ধমকী দেয়।
সংবাদে আমি অধ্যক্ষের সাথে খারাপ আচরণ করেছি মর্মে আনা তথ্যটিও সঠিক নয়।সুুদীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি কারো সাথে অসৎ ও খারাপ আচরন করেছি বলে কেউ বলতে পারবেনা।
আমার স্বত্বীয় জমিত জোর করে দখলের প্রতিবাদ করাই কি আমার অপরাধ?
সমাজিক ও রাজনৈতিক ভাবে আমাকে হেয় প্রতিপন্নের জন্যই গল্প সাজিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। আমি উক্ত সংবাদের আবারো জোর প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং উক্ত মিথ্যা সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সকলের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
ফোরকান উল্লাহ
যুগ্ন আহবায়ক
ফতেখাঁরকুল ইউনিয়ন বিএনপি