নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের রামু টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে সার্টিফিকেট সংশোধনের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে প্রতিষ্ঠানটির অফিস সহকারী নাজিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে, এক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে ৩০ হাজার টাকা নিলেও তিনি কাজ সম্পন্ন না করে বদলি হয়ে গা-ঢাকা দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী উৎস বড়ুয়া জানান, রামু টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট থেকে এসএসসি পাসের পর সার্টিফিকেটে জন্মতারিখে ভুল পাওয়া যায়। পরে তিনি তৎকালীন সুপারিন্টেন্ডেন্ট কাছে গেলে, তিনি তাকে নাজিম উদ্দিনের কাছে পাঠান। নাজিম প্রথমেই সংশোধনের জন্য ২০ হাজার টাকা দাবি করেন, যা উৎস সরল বিশ্বাসে নগদ পরিশোধ করেন।
তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সংশোধনের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় উৎসের সন্দেহ হয়। পরে নাজিম নানা অজুহাতে আরও তিন দফায় অতিরিক্ত ১০ হাজার টাকা নেন। উৎসের দাবি, পুরো লেনদেনের কল রেকর্ড তার কাছে প্রমাণ হিসেবে রয়েছে।
এরপর দীর্ঘ সময় টালবাহানা করে নাজিম বিনা নোটিশে বদলি হয়ে যান ফরিদপুর টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটে এবং তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরটিও বন্ধ করে দেন। ফলে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষার্থী উৎস বড়ুয়া সমস্যার মুখে পড়েছেন, কিন্তু সার্টিফিকেটের ভুল সংশোধন হয়নি। উৎস বড়ুয়ার অভিযোগ, তার মতো আরও একাধিক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সার্টিফিকেট সংশোধনের কথা বলে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ওই ব্যক্তি।
অভিযুক্ত নাজিম উদ্দিনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও, তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
বর্তমান সুপারিন্টেন্ডেন্ট সাইফুর রহমান বলেন, নাজিম এখানে প্রায় আড়াই বছর কর্মরত ছিলেন এবং ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বদলি হয়ে যান। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেলে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
